হারানো থেকে হতাশ নয় বরং শিক্ষা নিন ও ঘুরে দাড়ান!

এগিয়ে যান, হারানো থেকে হতাশ নয় বরং শিক্ষা নিন!

*******************
১. গুরুত্ব নির্ধারণ জীবনের যে বিষয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন, তাই গুরুত্বের সঙ্গে নিন। অন্যের দৃষ্টিতে জীবনের অর্থ খুঁজতে যাবেন না। নিজের চিন্তাধারায় চলতে পারলেই খাঁটি স্বাদ পাবেন। ২. নিজেকে ভালোবাসা ঠিক এই মুহূর্তে আপনি যেমন, তেমন মানুষটাকেই ভালোবাসুন। নিজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাখুন। হয়তো কাউকে আদর্শ মেনে নিয়ে তাঁর মতো হতে চাইছেন, কিন্তু ওই অবস্থানে না যাওয়া পর্যন্ত মনে আক্ষেপ পুষে রাখবেন না। এতে স্বপ্ন বেঁচে থাকবে এবং আপনি এগিয়ে যেতে পারবেন। ৩. স্পষ্ট লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পছন্দনীয় বিষয় এবং জীবনের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য লিখে ফেলুন। সম্পর্ক, ভালোবাসার মানুষ, ক্যারিয়ার, দায়িত্ব, সম্পদ, জীবনযাপন ইত্যাদি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নোট করে রাখুন। বেঁচে থাকতে শিক্ষা, সৃষ্টিশীলতা, আধ্যাত্মবাদ ইত্যাদি নিয়েও চিন্তা করুন। কল্পনা বাস্তবায়নের উপায় বিশ্লেষণে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন। প্রয়োজনে আগামী ১২ মাসের জন্য জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য স্থির করে ফেলুন। ৪. বর্তমান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এখন যে পরিস্থিতিতে আছেন তা নিয়েই ব্যস্ত থাকুন। প্রতিটি নতুন দিনকে সর্বাপেক্ষা গুরুত্ব দিন। বর্তমানের সৌন্দর্য এবং অসীম সম্ভাবনাকে ধারণ করুন। ৫. আত্মার সঙ্গে যোগাযোগ জীবনের চাওয়া-পাওয়াগুলো স্পষ্ট করবে আপনার আত্মা। স্বপ্নের পথে আপনাকে পরিচালিত করবে অন্তরাত্মা। এর জন্য মেডিটেশন বেশ কার্যকর। প্রতিদিন টানা ১০ মিনিট ধ্যানে সময় ব্যয় করুন। ৬. জবাবদিহি যখন পরিবর্তনের পথে হাঁটছেন, তখন গতানুগতিক অভ্যাস পিছুটান হয়ে দেখা দিতে পারে। এ সময় বালুতে মুখ গুঁজবেন না। এ বদভ্যাসের আগ্রাসী ছায়া থেকে বাঁচতে পরিকল্পনা করুন। প্রয়োজনে সপ্তাহ বা মাস ভিত্তিতে নিজেকে সময় বেঁধে দিন। নিজের কাছেই জবাবদিহি নিশ্চিত করুন। ৭. নিজের গুণের যত্ন সব মানুষের মাঝে কিছু না কিছু গুণবাচক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিজেরগুলো খুঁজে নিন। এগুলোর পরিচর্যা করুন। কী নেই, শুধু তার দিশা পেতে গেলে হতাশা চলে আসবে। ৮. অস্বস্তিকর চিন্তা বাদ প্রত্যেক মানুষের মাথায় কিছু এলোমেলো চিন্তা প্রভাব বিস্তার করে রাখে। যদি সারা দিন এগুলোর ভাবনায় দিন যায় তবে শোচনীয় অবস্থায় পড়বেন। ৯. অতীতকে আঁকড়ে ধরা নয় এটা ঠিক যে অতীত মানুষকে শিক্ষা দেয়। কিন্তু এমন সময় হয়তো পেছনে ফেলে এসেছেন যা কেবল অনুতাপ আর যন্ত্রণাই দিয়ে চলেছে। এগুলো বর্তমানে বারবার ফিরে এলে প্রাণশক্তি, ক্ষমতা, ভালোবাসা আর উদ্দীপনা খোয়াতে থাকবেন। ১০. ভয়কে জয় চলার পথে এগোতে কোন বিষয়গুলো বাধা হয়ে দাঁড়ায়? অজানা আশঙ্কা বা স্পষ্ট ভয়ের বিষয়গুলো পীড়াদায়ক হয়ে ওঠে। তাই ভয়কে অনুভব করতে হবে এবং যেকোনো উপায়েই হোক একে পরাজিত করুন। ভয়কে পরাজিত মানে আপনার জয় নিশ্চিত। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

হাইকোর্ট মাজার: হযরত খাজা শরফুদ্দিন চিশতী(রাহঃ) এঁর জীবনী

গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.) এঁর জীবনী

হযরত শাহ্ মখদুম রূপস (রাহঃ) এঁর জীবনী